কালো জগতে প্রবেশের জন্য ভিপিএন কেন?

কালো জগতে প্রবেশের জন্য ভিপিএন কে কেন বেছে নেয় হ্যাকাররা?



আপনি কি জানেন যে আপনি অনলাইনে কখন কি করছেন সেটা যে কেউ খুব সহজেই জানতে পারে?


কথাটা একটু রহস্যময় হলেও এটাই 100 ভাগ সত্যি। তারপর আপনি যদি কোন কালো জগতের প্রবেশ করতে চান তাহলে তো এটা আপনার জন্য পুরাই রিস্কি।


এটা সাধারণত সম্ভব হয় আপনি যখনই কোন ব্রাউজারে প্রবেশ করবেন। তখনই সেখানে তারা আপনার একটি জিনিস এক্সেস নেয় আর সেটা হল–ISP(Internet service provider) 

ISP(Internet service provider) আসলে কি?


এটা হল ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার,
।এটা চাইলেই আপনি কোন ব্রাউজারে প্রবেশ করে যে যে হিস্টরি করে রেখে গেছেন সে সমস্ত হিস্টরি সম্পর্কে তারা পুরোপুরি ধারণা নিতে পারে।


আর এরকম হলে আমাদের প্রাইভেসি তে অনেক বেশি রিস্ক হয়ে যায়। আর আপনি যদি কোন হ্যাকিং এ যান। তাহলে সেটা তো আরো ভয়ানক রূপ নেবে!


এর জন্যই একটি সিস্টেম আছে সেটা হল ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন!

  • ভিপিএন আসলে কি?



সহজ কথায় ভিপিএন একটি ইনক্রিপটেড সিকিউর ইন্টারনেট কানেকশন যেটা আপনার কম্পিউটার ও সার্ভারের ভিতরে ১ টা টানেল তৈরি করে!


অর্থাৎ আপনি যখন ভিপিএন ব্যবহার করবেন তখন সমস্ত ট্রাফিক ভিপিএন এর তৈরি টানেলের ভিতর দিয়ে যাবে।


এবং ট্যানেলের সমস্ত কিছু ইনক্রিপটেড থাকে ফলে আপনার আইএসপি টানেলের ভিতরের কোন কিছু দেখতে পারবে না।

এটার উপকারিতা এবং কেনো আপনি এটা ব্যবহার করবেন?


আপনি যেকোন ব্রাউজার দিয়ে যদি কোন সাইটে প্রবেশ করেন এবং আপনি যদি কোন ভিপিএন ব্যবহার না করে,, তাহলে তারা খুব সহজেই আপনার আইএসপি জেনে নেবে!


এবং এতে করে তারা আপনার ব্রাউজিং এর সকল হিস্টরি সম্পর্কে জানতে পারবে!


এটা সিম্পল একটি ব্যাপার। কিন্তু আপনি যদি যেকোনো একটি ভিপিএন কানেক্ট করে যে কোন ব্রাউজার দিয়ে ওই ওয়েবসাইটে  প্রবেশ করেন।


তাহলে তারা এটা জানতে পারবে না যে আপনি কোন ভিপিএন কানেক্ট করেছেন? আর তারা কোন রূপে আপনার আইএসপি সম্পর্কে জানতে পারবে না!


এতে করে খুব সহজেই আপনি আপনার সকল ব্রাউজিং ডাটা হিস্টরি নিজের জন্যই সীমাবদ্ধ রাখতে পারবেন।


তাছাড়া আমরা জানি যে আমাদের সকলেরই একটা নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস আছে! 


যে কেউ এটা ট্রাক করে আমাদেরকে খুব সহজেই চিহ্নিত করতে পারে।তাছাড়া এর সাহায্যে আমাদের লোকেশন সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা পেতে পারে!


অর্থাৎ একই জায়গার আইপি অ্যাড্রেস মূলত একেক রকমের হয়। কিন্তু আপনি এই আইপি অ্যাড্রেস তারা যে কাউকে ট্রাক করতে পারবেন!


এখন আপনি যদি যে কোন একটি ভিপিএন কানেক্ট করেন! 


এবং উদাহরনস্বরুপ এই ভিপিএন এর প্রক্সি হল আমেরিকা। তাহলে আপনি বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও তারা আপনার আই পি কে আমেরিকার আইপিতে রুপান্তরিত করবে।


এতে করে কেউ আপনার সঠিক লোকেশন জানতে পারবেনা।


অনেক সময় দেখা যায় আমরা অনেক দেশের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারি না। হতে পারে এই ওয়েবসাইটগুলো শুধুমাত্র সেই দেশের জন্যই ব্যবহার উপযোগী।


আপনি যদি ওই দেশের আইপি কিংবা প্রক্সি ব্যবহার না করেন তাহলে কোন রকমে আপনি ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে পারবেন না।


কিন্তু আপনি যদি কোন ভিপিএন কানেক্ট করে ওই দেশের লোকেশন ব্যবহার করেন তাহলে একটা ফেইক আইডি তৈরি হয়।


যার সাহায্যে তারা চিহ্নিত করে যে আপনি হয়তো ওই দেশের একজন নাগরিক কিংবা এই সাইটটি ব্যবহার এর জন্য আপনি উপযুক্ত।


আর এ কারণে আপনি তাদের দেশের নাগরিক না হয়েও এই সাইটে অনুপ্রবেশের অধিকার পেয়ে যান। 

Leave a Comment

10 + twenty =