বিকাশ পিন পরিবর্তন দুইটি ধাপে সম্পন্ন করুন |

বিকাশ পিন পরিবর্তন দুইটি ধাপে সম্পন্ন করুন |

 

বর্তমানে টাকা আদান প্রদানের জন্য বাংলাদেশ একটি জনপ্রিয় টাকা ট্রান্সফার সিস্টেম রয়েছে আর সেটা হল বিকাশ এর মাধ্যমে টাকা আদান প্রদান।
 
এক্ষেত্রে আপনি চাইলে খুব সহজেই বিকাশ ব্যবহার করার মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোন জায়গা থেকে একজন আরেকজনের কাছে টাকা লেনদেন করতে পারে।
 
তবে আপনার টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাইভেসি সেটি থাকে তা হল আপনার একাউন্ট পিন নাম্বার।
 
আপনি যখন একটি নতুন বিকাশ একাউন্ট খুলেন তখন বিকাশ একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে আপনাকে বিকাশ পিন নাম্বার দেয়া হয়।
 
অবশ্য বিকাশ একাউন্ট খোলার সময় এই পিন নাম্বার আপনি আপনার নিজের ইচ্ছা মত দিতে পারেন, এবং তারপরে আবার ওই পিন নাম্বার ব্যবহার করার মাধ্যমে তা পরিবর্তন করতে পারেন।
 
আর কোনো অস্বাভাবিক কারনে আপনার কাছে যদি এটা মনে হয় যে আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন নাম্বার অন্য কেউ জেনে গেছে, তাহলে আপনি চাইলে খুব সহজেই বিকাশ পিন পরিবর্তন করতে পারেন।
 
আর কিভাবে  আপনার বিকাশ একাউন্টের আপনি বিকাশ পিন পরিবর্তন করবেন যখন আপনি এটা জানেন কিংবা না জানেন তখনও? এই সম্পর্কিত তথ্য নিয়ে আজকের এই পোস্টটি সাজানো হয়েছে।
 

বিকাশ পিন পরিবর্তন যখন আপনি এটা জানেনঃ

 
আপনি যদি আপনার বিকাশ একাউন্টের পূর্বের পিন নাম্বার সম্পর্কে ধারণা রাখেন এবং এ সম্পর্কে আপনি নিশ্চিত থাকেন যে আপনার বিকাশ পিন নাম্বার মনে রয়েছে তাহলে আপনি খুব সহজেই তা পরিবর্তন করতে পারবেন।
 
বিকাশ পিন পরিবর্তন করার জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার ফোনের ডায়াল প্যাডে চলে যেতে হবে অর্থাৎ যেখানে আপনি গিয়ে নাম্বার টাইপ করেন।
 
এই অপশনটিতে যাওয়ার পরে আপনাকে টাইপ করতে হবে *247# এবং তারপর ক্রমান্বয়ে আপনাকে 7 টাইপ করতে হবে এবং তারপরে 3 টাইপ করার মাধ্যমে আপনার পূর্বের পিন নাম্বার ডায়াল করতে হবে।
 
আপনি যখনই আপনার পূর্বের পিন নাম্বার দিয়ে দিবেন তখন আপনার সামনে আরেকটি নতুন পেজ ওপেন হবে যেখানে তারা আপনার নতুন পিন নাম্বার দেয়ার কথা বলতে পারে।
 
এক্ষেত্রে আপনি যখনই আপনার পিন নাম্বার দিবেন তারপরে ওই একই পিন নাম্বার দিয়ে আবার কনফার্ম করে নিবেন তাহলে আপনার পিন পরিবর্তন হয়ে যাবে।
 
বিকাশ পিন পরিবর্তন দুইটি ধাপে সম্পন্ন করুন |
 
আর এভাবে আপনি খুব সহজেই যখন আপনি আপনার পূর্বের বিকাশ পিন নাম্বার জেনে থাকবেন তখন আপনার পিন পরিবর্তন করতে পারবেন।

বিকাশ পিন পরিবর্তন যখন আপনি এটা ভুলে যাবেনঃ

 
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বিকাশ একাউন্ট খোলার পরে যে পিন নাম্বার এখানে ব্যবহার করেন তখন এই পিন নাম্বারের ব্যবহৃত সংখ্যা গুলো ভুলে যান।
 
যার ফলে আপনি যখনই যে কারো কাছে টাকা লেনদেন করতে চান তখন আপনি তা করতে সক্ষম হন না।
 
শুধু তা নয় যদি আপনার এটা মনে হয় যে আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন নাম্বার হ্যাক হয়ে গেছে কিন্তু তারপরেই হ্যাককৃত বিকাশ একাউন্টের পিন নাম্বার পরিবর্তন করা হয়েছে তখন আপনি আরো বেশি ঝামেলার মধ্যে পড়ে যান।
 
আর এক্ষেত্রে আপনি যখনই আপনার পিন নাম্বার পরিবর্তন করতে চাইবেন তখন আপনাকে পূর্বের যে পিন নাম্বার রয়েছে তা দিতে হয় যা আসলে আপনি জানেন না।
 
এক্ষেত্রে আপনার ভোগান্তি কমানোর জন্য এবং আপনি যদি আসলেই ওই বিকাশ একাউন্টের মালিক হয়ে থাকেন তাহলে বিকাশ হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে।
 
আর আপনি যদি আপনার বিকাশ পিন পরিবর্তন করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ১৬২৪৭ এই নাম্বারে ফোন দিয়ে তারপরে তাদের সহযোগিতা নিতে হবে।
 
এক্ষেত্রে আপনি যখনই আপনার বিকাশ এর পিন নাম্বার ভুলে যাবেন তখন আপনি যদি আবার নতুন একটি পিন নাম্বার সংযুক্ত করতে চান তাহলে আপনাকে যে ডকুমেন্টগুলো দিতে হবে তা হলোঃ
 
▪ আপনার এনআইডি কার্ডের নাম্বার।
▪ এনআইডি কার্ড এ ব্যবহৃত আপনার নাম।
 
আর উপরে উল্লেখিত তথ্যগুলো যখন আপনি বিকাশ হেল্প সেন্টারে দিয়ে দিবেন এবং তারা যখন এর সত্যতা যাচাই করে এটা নিশ্চিত হবে যে আপনি সত্য বলছেন তখনই তারা আপনার পিন পরিবর্তন করার উপায় জানিয়ে দিবে।
 
অনেক ক্ষেত্রে ওই বিকাশ হেল্পলাইন করতে আপনার পিন পরিবর্তন করে দিবে এবং তারপরে এই পিন নাম্বার আপনাকে জানিয়ে দিবে, আর পরিশেষে ওই নতুন পিন নাম্বারের সহযোগিতায় আপনি আরেকটি পিন নাম্বার যুক্ত করে নিতে পারবেন।
 
আর বিকাশ পিন নাম্বার পরিবর্তনের যে দ্বারা রয়েছে তা মূলত আমি উপরে আলোচনা করেছি , আশা করি আপনার কাজে আসবে।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

four × 1 =