সেরা ১০০ টি ইনকাম আইডিয়া | ইনকাম করার উপায় |

সেরা ১০০ টি ইনকাম আইডিয়া | ইনকাম করার উপায় |


আমাদের অনলাইনে থাকা সময় গুলোকে আমরা কি কাজে ব্যবহার করছি? আপনি কি আপনার অনলাইনে থাকা সময় গুলোকে শুধুমাত্র ফেসবুকে স্ক্রোলিং কিংবা ইউটিউবে ভিডিও দেখার মাধ্যমে কাটিয়ে পার করে দিচ্ছেন?

তবে আপনি কি জানেন অনলাইনে থাকা সময়গুলোকে আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের ইনকাম আইডিয়া বা ইনকাম করার পদ্ধতি মাধ্যমে পার করে কিছু টাকা আয় করতে পারেন।

অনলাইন থেকে আয় করার গুটিকয়েক পদ্ধতির নেই, অনলাইন থেকে আয় করার জন্য রয়েছে হাজার হাজার অভিনব পদ্ধতি। এগুলো থেকে আপনি বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের কাজটি এবং আয় করতে পারেন হাজার হাজার ডলার।

একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে

অনলাইনে থেকে আয় করার যে সমস্ত মাধ্যম রয়েছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো আপনার নিজস্ব একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে আয় করা।

আপনি যখনই একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে নিবেন, তখন আপনি এখানে আপনার বিভিন্ন ধরনের skill শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার অডিয়েন্সের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন। 

এটা একদম সহজ একটি প্ল্যাটফরম যেখানে থেকে খুব সহজেই আপনি ডলার ইনকাম করতে পারবেন শুধুমাত্র আপনার স্কিল এর মাধ্যমে।

ইউটিউব থেকে সাধারণত আপনি আপনার চ্যানেলটিকে মনিটাইজেশন করে এখানে এর ইউনিট বসানোর মাধ্যমে ডলার আয় করতে পারবেন। 

এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে আপনার চ্যানেলে গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্ট আপলোড দিতে হবে।

একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে

আপনি খুব সহজে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করার মাধ্যমে আয় করতে পারবেন, আর এই ব্লগ সাইট থেকে আয় করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি ফ্রি সাইট তৈরি করতে হবে।

আর কিভাবে আপনি খুব সহজেই একটি ব্লগ সাইট তৈরি করবেন সেটা জানতে হলে নিচের দেয়া আর্টিকেল দেখে আসুন।


যখনই আপনি একদম ফ্রীতে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে নিবেন তখন আপনি এই  ব্লগ সাইটে বিভিন্ন ধরনের niche রিলেটেড আর্টিকেল পাবলিশ করে আয় করতে পারবেন।

এক্ষেত্রেও আপনার টার্গেট থাকবে গুগল এডসেন্স থেকে মনিটাইজেশন নেয়া এবং তারপরে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ইউনিট আপনার সাইটে বসিয়ে টাকা আয় করা।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে 

এফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত অন্যের বিজনেস প্রডাক্ট কে প্রমোট করাকে বুঝায়।

এক্ষেত্রে আপনি যে কোন একটি কোম্পানির বিজনেস প্রডাক্ট কে আপনার ওয়েবসাইট কিংবা যেকোনো একটি উপায় বিক্রি করার মাধ্যমে কিছু কমিশন পাবেন আর এটাই মূলত এফিলিয়েট মার্কেটিং।

এক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন বড় বড় জায়েন্ট কোম্পানির সাথে এফিলিয়েট প্রোগ্রামের যুক্ত হতে পারেন এবং তারপরে তাদের দেয়া প্রোডাক্ট গুলোকে শেয়ার করার মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

ফিভার এ কাজ করে

ফিভার মূলত হলে একটি ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম, যেখানে আপনি অন্যান্যদের কাজগুলোকে সম্পাদন করে এখান থেকে ডলার আয় করতে পারবেন।

এখান থেকে আপনি বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে পারেন যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন, যে কাউকে কনটেন্ট লিখে দেয়া, ট্রানসলেশন এর কাজ, লোগো তৈরি করার কাজ ইত্যাদি।

আর এটি মূলত হলে একটি ইচ্ছা স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যেখান থেকে আপনি  ইচ্ছা স্বাধীন কাজ-কর্ম পরিচালনা করতে পারবেন। এবং প্রতিদিন খুব বেশি পরিমাণে ডলার ইনকাম করতে পারবেন।

সিপিএ মার্কেটিং

এটা হল এমন একটি অনলাইন আয় করার পদ্ধতি। যার মাধ্যমে আপনি মূলত যে কোন একটি প্ল্যাটফরম কিংবা কোম্পানির লিড কমপ্লিট করার মাধ্যমে ডলার আয় করতে পারবেন।

এখানে প্রায় 99% কাজই হলো মূলত আপনি যে কাউকে একটি লিংক এর মধ্যে সাইনআপ করতে বলা যেখানে তারা তাদের নাম এবং ইমেইল লিখে দিলেই আপনি এখান থেকে ওই সমপরিমাণ ডলার আয় করতে পারবেন, যা আপনি প্রথমে দেখেছিলেন যখন কোন লিড সংগ্রহ সংগ্রহ করেছিলেন।

মূলত অনলাইন থেকে আয় করার ক্ষেত্রে এই কাজটি একেবারেই সহজ এবং এখান থেকে আয় করার পরিমাণ খুব বেশি।

তবে আপনি যে lead সংগ্রহ করবেন এটি মূলত কিছু দেশে সীমাবদ্ধ থাকবে এবং ওই দেশের লোকজনের কাছ থেকে আপনাকে তাদের ইমেইল এড্রেস সংগ্রহ করতে হবে।

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট

আপনার যদি কোডিং সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা থাকে তাহলে আপনি একটি এন্ড্রয়েড এপস ডেভেলপমেন্ট করে আয় করতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনি যেকোন ধরনের একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করবেন এবং তারপর এটি গুগল প্লে স্টোরে ছেড়ে দিবেন। 

এবং অবশ্যই এন্ড্রয়েড এপস ডেভেলপমেন্ট করার পরে আপনাকে করতে হলে এতে গুগল এডমোব এর ইউনিট গুলো বসিয়ে দিতে হবে।

মূলত আপনি যেকোন ধরনের একটি ক্যাটাগরির অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট করে তারপর আপনার ওই অ্যাপস এর দ্বারা যে কাউকে সহযোগিতা করে আয় করতে পারেন।

আপনার কোডিং সম্পর্কে যদি ধারণা না থাকে তাহলে আপনি কিছু ফ্রি এপ মেকার টুলস এর সহযোগিতায় আপনার এন্ড্রয়েড এপস তৈরী করতে পারেন।

Here’s the list of few popular app maker tools:


তাহলে আর দেরি কেন এখনি আপনার পছন্দের যেকোনো একটি ক্যাটাগরির মধ্যে একটি এন্ড্রয়েড এপস ডেভেলপমেন্ট করে তারপরে আয় করা শুরু করে দিন।

কপিরাইটিং করে আয়

আপনি চাইলে অন্য যে কারো আর্টিকেল কপি করে এখান থেকে খুব বেশি পরিমাণে ডলার আয় করতে পারেন, তবে শুরুর দিকে আপনি খুব বেশি আয় করতে পারবেন না।

আর কপিরাইটিং করে আয় করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত প্ল্যাটফর্ম রয়েছে সেই প্ল্যাটফর্ম গুলোর লিংক আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি আপনি চাইলেই প্লাটফর্ম গুলোতে একজন পাবলিশার হিসেবে কাজ করে আয় করতে পারবেন।


অনলাইনে আয় করা যে সমস্ত আইডিয়া রয়েছে সেগুলোর কথা যদি আমি বর্ণনা করতে শুরু করি তাহলে কতদিন কেটে যাবে তবুও এই আইডিয়া গুলো সম্পর্কে পুরোপুরি ডিসকাশন করা সম্ভব হবে না।

তাই বলে কি আপনি এই আইডি গুলো সম্পর্কে জানবেন না?. অবশ্যই কেন নয়?

অনলাইন থেকে আয় করার আরও 100 টিরও উপরে ট্রিকস কিংবা যে সমস্ত আইডিয়া রয়েছে সে সমস্ত আইডিয়াগুলো পুরোপুরি বর্ণনা সহকারে জানতে হলে আপনি চাইলে নিচের দেয়া অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

যখনই আপনি এই অ্যাপসটি ডাউনলোড করে দিবেন তখন এই এপস এর মধ্যে প্রবেশ করার পর step-by-step অনেকগুলো অনলাইন থেকে আয় করার আইডিয়া পেয়ে যাবেন।

এবং এই সমস্ত অনলাইন থেকে আয় করার আইডিয়া গুলো কিভাবে আপনি আপনার নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন এবং ডলার আয় করতে পারবেন সেই সম্পর্কে পুরোপুরি বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন।


তাহলে আর দেরি না করে এখনি উপরে উল্লেখিত অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোড করে আপনার ফোনে রেখে দিন এবং ইনজয় করুন নতুন নতুন আর্নিং আইডিয়া গুলো।

আশা করি উপরোক্ত অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস থেকে আপনি আপনার পছন্দের আইডিয়াটি বেছে নিতে পারবেন, এবং আপনার আয় করা শুরু করে দিতে পারবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 × 5 =

Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap