১০০০+ ফেসবুক ক্যাপশন| Facebook Caption Bangla |

ফেসবুক ক্যাপশন| নিয়ে নিন সমগ্র ফেসবুক ফটো ক্যাপশন বাংলাতে |



ফেসবুকে আপনার স্ট্যাটাস কিংবা ছবি লোকজন কতটা ইন্টারেস্টিং এর সাথে দেখবে সেটা নির্ভর করবে আপনার ছবিতে ক্যাপশন দেওয়ার উপর।


তাছাড়া আমরা অনেক সময় ফেসবুকে কোন ছবি আপলোড করতে দ্বিধাবোধ করি, এর মূল কারণ হলো আমাদের জানা থাকে না যে কোন ছবিতে কি ক্যাপশন দেওয়া দরকার?


একটা বিষয় অবশ্যই লক্ষ্য করা দরকার আর সেটা হলো আপনি আপনার ফেসবুক স্ট্যাটাসে কিরকম ক্যাপশন দিবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার উপর।


কারণ আপনি যদি রোমান্টিক কোন স্ট্যাটাস পাবলিশ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই সেই ফেইসবুক ক্যাপশন রোমান্টিক ভাবে দিতে হবে।


এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করব সকল ধরনের ফেইসবুক ক্যাপশন এর সমন্বয়ে, এতে করে আপনাকে আর কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না।

 

রোমান্টিক ক্যাপশন

যোগাযোগহীন তুমি আমি,
গল্প সব তরতাজা
মাঝরাতে ঘুমের মেয়াদ
ময়নাতদন্তে ছন্নছাড়া..!”
স্বামী বানানোর কথা দিয়ে গাজাখোর বানিয়ে দেয়ার নামই এ যুগের ভালোবাসা। “

চিঠির ভাঁজে অশ্রু দিও, দিও বুকের ক্ষত,
ডাকপিয়নকে বলে দিও ভীষণ ব্যাক্তিগত। 

ভেবে দেখেছো কত? 
শত হয়েছে ভুল, মাফকাঠি বাহিরে,
কত যে গরমিল।
তুমি না হয় বেঁচেছো,নতুন হবে সবি।
আমি তো সেই স্মৃতির পাতা, রাঙ্গাতে রোজ ভাবি।

ছোটবেলায় স্পষ্ট বলে দেওয়া হয় অন্যের দেয়া কিছু নিবে না।
অথচ বড় হয়ে অন্যের দেয়া দুঃখগুলো নিয়েই আমরা জীবন কাটিয়ে দেই!

বইয়ের ভাঁজে টুকরো চিঠি,ধূসর গুটিকয়েক অক্ষর
কিছু পুরোনো গল্প মনোনীত হয়নি,উপরওয়ালা করেননি স্বাক্ষর। 

সব প্রতিজ্ঞা প্রতিজ্ঞাই থেকে যায়।
কাউকে ভালোবাসবেনা বলে বাজি ধরে যে মানুষটা
ঘুম থেকে উঠতো_!
সেই মানুষটা ও একদিন লুকিয়ে কাঁদে না পাওয়ার যন্ত্রণায়।

টিপ পরলে তোমাকে কি যে সুন্দর লাগে” বলা প্রেমিক একসময় চোখের নিচে পড়ে যাওয়া কালিও খেয়াল করেনা! আমরা বেড়িয়ে আসতে শুরু করি, একটা ফ্যান্টাসির জগত থেকে!
তারপর একদিন আর সবকিছু আগের মতো চলতে থাকেনা! সব কেমন এলোমেলো লাগে! মানুষটা অভ্যাস হয়ে গেলেও, একসময় মানুষটাকে আর আপন লাগেনা!.

হৃদপিন্ড ভর্তি ভালোবাসা মরে গিয়ে সেখানে অভিযোগ
ঢুকতে শুরু করে!
আহা, ইনসোমেনিয়া জাপ্টে ধরে সমস্ত শহরকে!আমরা তখন শ্বাস-প্রশ্বাস নেই ঠিকই কিন্তু বেঁচে থাকি না!

আমরা আশ্রয়হীন থাকতে পারি না! সবসময় একটা আশ্রয় দরকার হয় আমাদের! তারপর আমরা দূরে যেতে শুরু করি! একটা নিরাপদ আশ্রয় খুজি! একটু প্রেম খুজি! একটু কেয়ারিং চাই! মাঝেমাঝে দূরে চলে যেতে হয়! দূরে চলে যাওয়াটা জরুরী! দুরত্ব সৃষ্টি না হলে, মানুষ গুলোকে গুরুত্ব বুঝানো যায়না!
মাঝেমাঝে নিজেকে আড়াল করে, মানুষগুলোকে টের পাইয়ে দিতে হয়, বুকের কত’টা গভীরে কষ্ট জমে গেলে, মানুষ দূরে  চলে যায়।`
রাত বাড়ছে,
অনেক বছরের  পুরনো সেই রাত,
নেশায় কাতর হচ্ছে নিথর দেহ🙂
প্রেমিকার উচিত প্রেমিক এর কাছে এটা সেটা গিফট না চেয়ে প্রেমিক এর ‘শার্ট বা টিশার্ট’ গিফট চাওয়া!
আবদার এর সুরে বলবে ‘তোমার ইউজ করা কোন শার্ট বা টিশার্ট আমাকে দিবা প্লিজ? শার্টে তোমার ইউজ করা পারফিউম এর ঘ্রান যাতে থাকে!’
গিফট পাওয়ার পর মেয়েটা সেটা পড়বে আর একটু পর পর আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে দেখবে,নাকের কাছে নিয়ে পারফিউম এর ঘ্রান নিবে!
শার্ট পড়ে ছবি তুলে প্রেমিক কে দেখাবে! ছবি পাঠিয়ে বলবে ‘দেখছো? তোমার শার্টে তোমার চেয়ে আমাকেই বেশি সুন্দর লাগে!’
এই ব্যাপার গুলা কেনো জানি মারাত্নক ভালো লাগে আমার! ❤
রাত বারো টার পর যখন তোমার স্বামী ‘তোমার ব্রাউন কালারের ব্রা’র ফিতা খুলে, শ্যামলা মাংসের স্বাদ নিবে, তখন একটা যুবকের ছবি তোমার বামপাশ থেকে মুছে যাবে।
তোমার স্বামী যখন তোমাকে আদর করার জন্য কনডম এর প্যাকেট খুলবে, দেয়ালের ওপাশে বসে একটা ছেলে ঠিক সেই সময়, সিগারেটের প্যাকেট খুলবে!
তুমি ভুলে যাবে সেই যুবক কে। আর যুবকটা ভুলে যাবে; রাতে ঘুমানো কে!
তুমি রাত জাগবে স্বামীকে সুখ দেওয়ার জন্য।
আর যুবকটা রাত জাগবে, তোমার স্মৃতিগুলো ভুলার জন্য।

ফোটো ক্যাপশন

অস্পষ্ট অনুভূতি, মস্তিষ্ককে চুষে বেরানো কিছু বেওয়ারিশ চিন্তা।
– মুছে ফেলে দিতে চাওয়া ঘ্লানী গুলো ধোয়া হয়ে বাতাসে মিলিয়ে যাওয়া।
–মধ্য রাতে খুব শুনতে ইচ্ছে করে,
-একটু পরেই সকাল হবে, এবার ঘুমোও।.
নিদ্রাহীন অভিশপ্ত এক রাত কাটিয়ে, সূর্যের আলো চোখে পড়তেই দু’চোখ বন্ধ। অভিশপ্ত চোখে ঘুমটাও এখন নিস্তব্ধ। শুনেছি অভিশপ্ত চোখে ঘুমটাও এখন ক্রয় করতে হয় আড়াই টাকা মূল্যে। ঘুম ক্রয়কারী ফুঁফিয়ে উঠে ঈশ্বরকে প্রশ্ন করে, এটা কি সেই পাপের শ্বাস্তি যে পাপের জন্য রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড কে রাজ্য ছাড়তে হয়েছিলো..!
তোমাকে ঠিক ততটাই ভালোবেসেছিলাম।
যতটা ভালোবাসে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী তার শেষ প্রতিটা দিনকে।
আকাশটা আমার একলাই রইলো, আমাদের আর হলো না। তুমি অন্য শহরেই রয়ে গেলে, আর আমি এই শহরের অলিতে-গলিতে হারিয়ে গেলাম। একেবারেই হারিয়ে গেলাম!
হৃদয় ভাঙার ব্যথাটা আমি বুঝি
কারন আমি তো তা খুব করে সয়েছি,
আর খুব সকালে চোখ মুছে,সবার সামনে আমিও হেসেছি!!
কিছু কিছু মানুষ অতিথি পাখির মতো নির্দিষ্ট একটা সময় নিয়ে আসে সেই সময় টুকু তে জীবনটা রাঙ্গিয়ে দিয়ে যায়, যা কোনো দিন ভুলার নয় … ওরা তো ওদের স্বার্থের জন্য আসে সেই সময় টুকু চলে গেলেই ওরাও চলে যায় । .
চেয়ে ছিলাম হাজার দুঃখের মাঝেও,সুখটাকে একটু খুঁজে নিতে।কিন্তু, দুঃখের মেঘগুলো এতো কালো যে,তার মাঝে আমি সুখের আলোটা আর খুঁজে পেলাম না..!!!
হাসাতে না পারলে, কাঁদাবে না।আনন্দ দিতে না পারলে,কষ্ট দিবে না। ভালবাসতে না পারলে,ঘৃণা করবে না। আর বন্ধু হতে না পারলে, শত্রু হবে না?
ভাবছো ভুলে গেছি, না আজও ভুলিনি .. ভুলবো তো সে দিন, যে দিন সাগরে আর পানি থাকবে না .. পূর্ব আকাশে আর সূর্য উঠবে না , ভুলবো তো সেই দিন, যে দিন এ দেহে আর প্রাণ থাকবে না…!!! 
জানিনা কিভাবে তোমার দেখা পাবো,জানিনা কিভাবে তোমাকে কাছে পাবো,জানিনা কতটা আপন ভাবো তুমি আমায়।শুধু জানি এই অবুজ মনটা অনেক মিস করে তোমায়।
বাস্তবতা এতই কঠিন যে কখনও কখনও বুকের ভিতর গড়ে তোলা বিন্দু বিন্দু ভালবাসাও অসহায়  হয়ে পড়ে।

ছবির ক্যাপশন

অতি সুন্দরতার কারণে সীতার হরণ হয়েছিল, অতি গর্বের কারণে রাবণের পতন হল, এবং অতি দানী হওয়ার জন্য বলিকে পাতালে যেতে হয়েছিল । সুতরাং “অতি” কে সর্বদা ত্যাগ করা উচিৎ ।
কোনো দূর্বল ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের সাথে শত্রুতা করা আরও বেশী বিপদের । কারণ, সে এমন সময় এবং এমন জায়গায় আঘাত করতে পারে যেটার আমরা কল্পনাও করিনি ।
অপরের ভুল থেকে নিজে শিক্ষা নাও । কারণ, সবকিছু নিজের উপর প্রয়োগ করে শিখতে চাইলে তোমার আয়ু কম পড়বে ।
সম্মান তাদের প্রাপ্য, যারা কখনো সত্যকে পরিত্যাগ করে না, এমনকি যখন পরিস্থিতি অন্ধকারচ্ছন্ন এবং বেদনাদায়ক।.

তোমাকে চাই’….
কত ছোট দুটো শব্দের জোড়ন,যা লিখে ফেলাটা খুব সহজ,কিন্তু মুখে বলতে গেলে?…যেন গলা ধরে অাসে,লজ্জায় সিক্ত হয় মুখ,চোখে থাকে ভীষণ অাবেগের ছোঁয়া…
সামান্যইত ‘তোমাকে চাই’…
এতটুকুতেই এত জড়তা-?- হ্যাঁ,এই যে অামি লিখছি অথচ বৈশাখ কিংবা চৈত্রের দাবদাহ খরতাপে মুখ খুলে বলতে গেলে অামারও থেকে যায় জড়তা!-
‘তোমাকে চাই’ কী বিস্ময়ে ছোট্ট একটা চাওয়া… অথচ,কিছু কিছু মানুষের জীবনে এই চাওয়াটাই থেকে যায় অাজীবন…
হোক সে রিকশাওয়ালা বা কোটিপতি… রক্ত যার শরীরে প্রবাহমান,চাওয়া তার অাজীবন… জীবনের সূচনায় যাকে চাওয়া হয় হয়ত তাকে পাওয়া হয় না হয়ত অন্য কেউকে… ভাগ্যের খেলায় অামরা সবাই জয়ী হতে পারি না- একটা ভাগ্য জুড়েই যেন লিপিবদ্ধ হয়ে থাকে ‘তোমাকে চাই’…
একটা অাকাশ,তাকেও যেন সবাই ছুঁতে চায়,ভোরের কুয়াশা ভেঙে অাড়মোড়া প্রহর সেও সবাই চায়,জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হিসেব সবাই মেলাতে চায়- মনের প্রার্থনা সবার থাকে ‘তোমাকে চাই’…
অামাদের হিসেবের চুক্তিগুলো বরাবরই একটু শূন্য,- তোমাকে চাওয়া কিংবা অন্য কিছু চাওয়ার সবখানটা পূর্ণ হয় না,যেন ভাগ্যের কাছে এটা পূর্ণ হতেও নেই…তবুও কথা থেকেই যায় ‘তোমাকে চাই’… চোখ জুড়ে,বুক জুড়ে,অপস্পর্শের স্পর্শ জুড়ে,বিচ্ছিন্ন অাবেগ জুড়ে,দূর থেকেও দূরে ভেসে যেতে চায় কিছু চাওয়ার না পাওয়া… মোমবাতির অালো জ্বেলে অর্ধ ছায়ায় মন বরাবর অালো ফেললেই ফ্যাকাসে লাগে নিজের ছায়াটাও- তবে,অামার ভালোই লাগে,যেমন ভালো লাগে লোডশেডিংয়ের অাঁধারে মোমবাতির সে অর্ধ অালোচ্ছটায় ডায়রীর স্লোগান পাতায় কেউ না জানা দুটি শব্দের একটি জোড়ন লিখে রাখতে ‘তোমাকে চাই’…
শহর জুড়ে বর্ষা নেমেছে- হিসেবগুলো ধুয়ে যাচ্ছে দৃষ্টি বরাবর থাই গ্লাসে জড়ানো টুপটাপ জলে- অামি নিস্তব্ধ,হয়ত নিস্তব্ধ অারো শত চাতকের দৃষ্টি,এখানে শহরের ধোঁয়াশা অামেজে উবে যাচ্ছে ‘তোমাকে চাওয়া অার না চাওয়ার পার্থক্যটুকু’!
অপূর্ণতায় ঘেরা পরিপূর্ণ মানুষগুলো, সময়ের হিসেবে কখন যে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে তা মানুষেরা বুঝে উঠতে পারে না!’.
কুয়াশার সিক্ত আবরণে হারানোর অপেক্ষায় আছি, সে দিন সবুজ ঘাস হয়তো বলে উঠবে… আমি সয়েছি কত যন্ত্রনা, কতবার কেঁদেছি নীরবে:)
তুমি বললে হয়তো আকাশটাকে এনে দিতে পারব না’ তবে আকাশের ওই আধার কে সরিয়ে তোমাকে ভালবাসতে পারব ঠিকই’!
কোন একদিন যদি হাতে লাল গোলাপ নিয়ে দাঁড়িয়ে যায় তোমার পাশে’ তবে কি ভালোবাসি বলবে? নাকি পাগল বলে তাড়িয়ে দেবে’
ভালোবাসা মাপার যদি কোন মাপকাঠি থাকতো’ তাহলে বাবা মায়ের পরে  তোমারই স্থানটা যে কতটা জোরালো ভাবে আছে সেটা তুমি বুঝতে পারতে’
সত্য প্রেমে রাগারাগি বেশি হয়’ কারণ তারা একজন আরেকজনকে ভীষণভাবে পাশে পেতে চায়! আর মিথ্যা প্রেমে হয় তার বিপরীত”
আমি যে তাকে ভালোবাসি তা ওর রূপের জন্যও নয়, গুণের জন্যও নয়। ভালো না বেসে থাকতে পারি না বলে বাসি।
–শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
যদি সত্যি জানতে চাও তবে আমি তোমাকে চাই! যদি আরো বেশি জানতে চাও তবুও তোমাকে চাই:)
ভালোবাসা মুহে থাকে না, ভালোবাসা থাকে বাস্তবতায়! যেখানে কোনো চাওয়া-পাওয়া থাকে না,থাকে শুধু নিঃস্বার্থ কিছু মান অভিমান আর সারা জীবন একসাথে থাকার স্বপ্ন”.
তোমাকে হয়তো নিজের মতো করে কখনো পায়নি, তবুও তোমার প্রতি মায়া আর অদ্ভুত টান রয়ে গেল”
তুমি আমার কাছে কি জানো? মেঘলা আকাশে হঠাৎ উঁকি দেওয়া এক ফালি উজ্জল রোদ”
যদি আমার হাতে তোমার হাত রাখো’ তবে হেঁটে হেঁটে নির্দ্বিধায় পাড়ি দেবো এই পৃথিবীর সামান্য পথ”

বাংলা ক্যাপশন

 

কখনও কখনও ছাদের কার্নিসে দাড়িয়ে  মৃত্যুকে মনে হয়,সমুদ্রের মতো উদ্দাম হাওয়ায় উড়তে থাকা তোমার চুল।
অস্পষ্ট অনুভূতি, মস্তিষ্ককে চুষে বেরানো কিছু বেওয়ারিশ চিন্তা।
– মুছে ফেলে দিতে চাওয়া ঘ্লানী গুলো ধোয়া হয়ে বাতাসে মিলিয়ে যাওয়া।
–মধ্য রাতে খুব শুনতে ইচ্ছে করে,

-একটু পরেই সকাল হবে, এবার ঘুমোও।.
কয়েক লক্ষ্য সেকেন্ড কেটে গেছে। এর মধ্যে আমি তোমাকে কয়েক কোটিবার মনে করেছি। তোমাকে শেষ দেখার প্রতিটা মুহূর্ত আমার মনে আছে। তুমি এসেছিলে কুয়াশা ভরা ভোরে প্রিয় নীল শাড়িতে, হাতটা চেপে পাশাপাশি দাঁড়িয়েছিলে ময়ূরাক্ষীর তীরে। আমরা একটা নতুন ভোরের সাক্ষী হয়েছিলাম সেদিন। তুমি অপলক বৃথায় চেয়েছিলে, রক্তবর্ণ ধারণ করা সূর্যের দিকে। আর আমি চুপিচুপি চেয়েছিলাম তোমার মায়া ভরা মুখটার দিকে, তুমি খেয়াল করো নি! এতগুলা দিন চলে গেল, তুমি একটিবার মনেও করো নি।।
নিদ্রাহীন অভিশপ্ত এক রাত কাটিয়ে, সূর্যের আলো চোখে পড়তেই দু’চোখ বন্ধ। অভিশপ্ত চোখে ঘুমটাও এখন নিস্তব্ধ। শুনেছি অভিশপ্ত চোখে ঘুমটাও এখন ক্রয় করতে হয় আড়াই টাকা মূল্যে। ঘুম ক্রয়কারী ফুঁফিয়ে উঠে ঈশ্বরকে প্রশ্ন করে, এটা কি সেই পাপের শ্বাস্তি যে পাপের জন্য রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড কে রাজ্য ছাড়তে হয়েছিলো..!

মায়াবতী❤
তারপর তুমি যেনো এই ছোট জীবনের গন্ডি পেরিয়ে অপার্থিব অপরিমেয় গভীর অরন্যের পথ ধরে হেটে যাচ্ছো ধীরে ধীরে,
আমি তোমার পিছু পিছু নিশ্চুপ পায়ে ছুটে চলেছি অভিরাম। 
এই পৃথীবীর চেনা ডাক উপেক্ষা করে তোমার ঘোর সম্মুহনে।
অনেকদিন হলো তোমাকে দেখি না। ঠিক এমনই একদিন আমার সাজানো আকাশে কালো মেঘের ছায়া পড়েছিল। সেই ছায়া আজও কাটেনি। আমি হার মানতে চাইনি। চেষ্টা করেছিলাম বহুবার তোমাকে ফিরিয়ে আনতে। চেয়েছিলাম আবার হাত ধরে হাঁটবো দুজন পাশাপাশি! আমার বুক হাহাকার করেছে তোমার মনের আঙিনায়। তবে পারিনি তোমাকে ফিরিয়ে আনতে। শেষে ক্লান্ত হয়ে ডানা ঝাপ্টাইনি আর কখনোই। এখন তুমি অন্যকারো আকাশে বিচরণ করো। হয়তো আমাকে আর মনে নেই তোমার। না থাকাটাই স্বাভাবিক! তবে,যদি পারো আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি তোমার যোগ্য মানুষটি হতে পারিনি! বাইরে খুবই বৃষ্টি হচ্ছে। আমি জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আছি। মেঘ ছুটছে এদিক-ওদিক,সাথে আমার মনটাও! তোমাকে পাওয়ার ইচ্ছে আজ ফুরিয়ে গেলেও ভালোবাসার ইচ্ছে আজও ফুরোয়নি। তবে – ‘আজ কোনো ভালোবাসা নয়! আজ শুধুই তোমার স্মৃতিচারণ…..
জানো এখন আর অপেক্ষা করি না’ অপেক্ষার প্রহর শেষ করেছি অনেক আগে! এখন শুধু প্রতীক্ষা’ ঠিক আমার মত তোমাকেও অপেক্ষা করতে দেখার”
হয়তো আমি তোমার কিছুই না’ কিন্তু তুমি আমার হৃদয়ের আয়না! যেখানে আমি আমাকে দেখতে পাই,আমার মৃত্যু অবধি দেখতে পায়”
হয়তো একদিন বৃষ্টির মধ্যে আমরা দুজনে ভিজবো, তুমি ভিজবে অন্য একজনের সাথে, আমি ভিজবো কোন এক কবরস্থানে:).
যদি সত্যি করে একবার ভালোবেসে ফেলতে,তাহলে কখনো ছেড়ে যেতে পারতে না!
যদি হঠাৎ কোনদিন দেখা হয় কোন এক পুরনো রাস্তার মোড়ে! তাহলে কি ভালোবাসি বলবে? নাকি পাগল বলে চালিয়ে দেবে?
তারপর কথা ছিল সারা জীবন একসাথে থাকার:) প্রিয়তমা তুমি কথাটি রাখতে পারোনি, তবে আমি বোকার মত এখনো অপেক্ষা করি”

প্রোফাইল ক্যাপশন

জানো,
তোমাকে ঠিক ততটাই ভালবাসতাম- যত ভালোবাসে ক্যান্সারে আক্রান্ত কোন ব্যক্তি তার শেষ প্রত্যেকটা দিন কে” তবুও তোমায় পেলাম না:)
জীর্ণ শরীর আর ক্ষতবিক্ষত ফুসফুস, তবুও একটু কমতি নেই ভালোবাসার”
প্রিয় জানালা!
আমার মৃত্যুর পর তুমি না হয় সবাইকে জানিয়ে দিও- কতরাত আমি আকাশ পানে চেয়ে কেঁদেছিলাম, ভিজিয়েছিলাম দেয়াল টাকে”
কোন একদিন হয়তো বলেছিলাম তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না- দেখো আজ তুমি নেই তবুও কতটা নির্লজ্জের মতো বেঁচে আছি এই ক্ষতবিক্ষত হৃদয়টাকে নিয়ে:)”
তোমাকে আটকে রাখার কোনো সাধ্য হয়তো আমার নেই, তবুও দু চোখ ভরে ভালোবাসা মুহূর্ত নামানোর অপেক্ষা করে যাই”
অসুখ হলে প্রিয় কাউকে খুব মনে পড়ে: কারণ অসুস্থ হয়ে গেলে সেই মানুষটা প্রায়ই মাথায় হাত দিয়ে বলতো ইশ! জ্বরে তো তোমার সমস্ত শরীর পুড়ে যাচ্ছে”

উপরের দেয়া ক্যাপশন গুলো আপনি হয়তো দেখে ফেলেছেন, এবং আপনি এটা চাচ্ছেন যে এগুলো আপনার ফেসবুকে পাবলিশ করতে।

তবে আপনি যদি সরাসরি এখান থেকে কপি করে আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পাবলিশ করে দেন তাহলে এটা ভুল হবে।


কারন আপনার মত অনেকেই এই স্ট্যাটাস গুলো দেখতে পাচ্ছে, যার ফলে একই রকমের অনেক স্ট্যাটাস গুলো যে কারো কাছে বিরক্তিকর হয়ে যেতে পারে।


আপনি যা কখনো চাইবেন না, এর জন্য শুধুমাত্র আপনি উপরে দেয়া ক্যাপশন গুলোর মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন করতে পারলে এর কপিরাইট প্রভাব আপনার ফেইসবুক টাইমলাইন এর উপর পড়বে না।


তাহলে আজকে এই পর্যন্ত। আশাকরি আপনি উপরোক্ত ফেসবুক ক্যাপশনগুলো ব্যবহার করে আপনার ছবিকে খুব সহজে আগের তুলনায় ইন্টারেস্টিং করে তুলতে  পারবেন।

Leave a Comment

3 + nineteen =