ইউটিউব চ্যানেল সেটিং | গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |

আপনার ইউটিউব চ্যানেলের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য কিংবা এই চ্যানেলটিকে খুব তাড়াতাড়ি রেংক করার জন্য আপনার ইউটিউব চ্যানেলের কিছু সেটিং করতে হয়।

এটি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিজিটর বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে, এবং এই চ্যানেল খুব সহজেই যেকোনো ধরনের ভিজিটরের কাছে পরিবেশন করতে সাহায্য করে। 

এটিকে সাধারণত বলা হয় ইউটিউব চ্যানেলটিকে এসইও ফ্রেন্ডলি করে গড়ে তোলার জন্য ইউটিউব এর কিছু সেটিং। 

এসইও ফ্রেন্ডলি বলতে আপনি যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেল রেংক করাতে চান এবং এটি তাড়াতাড়ি যেকোনো ভিজিটরের কাছে পৌঁছে দিতে চান তাহলে আপনাকে এই ইউটিউব ওয়েবসাইট এসইও ফ্রেন্ডলি করে গড়ে তুলতে হয়।

আর এটা করতে হলে আপনাকে ইউটিউব এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং করতে হয়, যা আসলে আমরা অনেকেই জানিনা, আর আপনিও যদি ইউটিউব চ্যানেল সেটিং সম্পর্কে না জানেন তাহলে এই পোস্টটি দেখতে পারেন।

আপনার দেশ নির্বাচন করাঃ

এই বিষয়টা আসলে এরকম যে আপনি কোন দেশ থেকে ইউটিউব ব্যবহার করছেন এবং এই দেশের সুযোগ সুবিধা কি কি এই সম্পর্কে আপনি ইউটিউবে একটি ধারণা দিতে পারেন। 

আপনার বর্তমান লোকেশন এর কান্ট্রি থেকে আপনি যে ইউটিউব ব্যবহার করছেন সেই সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই ইউটিউব চ্যানেল সেটিং এর মধ্যে আপনার কান্ট্রি সিলেক্ট করে নিতে হয়। 

এটি সিলেক্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে Your YouTube Channel অপশনে ক্লিক করতে হবে, এবং এতে ক্লিক করার পরে আপনাকে  customize অপশনটিতে ক্লিক করে নিতে হবে।

আর আপনি যখনই কাস্টমাইজড সেকশনের ক্লিক করবেন অথবা না আপনি আপনার লোকেশন টি সিলেক্ট করে নিতে পারবেন, ঠিক আছে আপনি যে দেশের অধিবাসী সেই দেশের নাম টি সিলেক্ট করে তারপর সেটিং সেভ করে নিন। 

 

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং | জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |

 

 

আর এভাবেই মূলত আপনি যে দেশের অধিবাসী এবং যে দেশ থেকে ইউটিউব ব্যবহার করছেন সেই দেশের লোকেশন সিলেক্ট করে নিতে পারেন। 

কিইওয়ার্ডঃ 

এই বিষয়টি বলতে মূলত আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল কোন ধরনের কিওয়ার্ড নির্ভর চ্যানেল হিসেবে গড়ে তুলেছেন সেটা এখানে উল্লেখ করতে পারবেন।

বিষয়টা এরকম যে আপনি ইউটিউব চ্যানেলে সবসময় যে রিলেটেড কনটেন্ট আপলোড দিয়ে থাকেন, সেই রিলেটেড কিওয়ার্ড এখানে আপনি সেভ করে রেখে দিতে পারেন যা আপনার ইউটিউব চ্যানেল সেটিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন। 

কিওয়ার্ড বলতে সাধারণত আপনি যদি ফেসবুক সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল এখানে পাবলিশ করেন তাহলে আপনি কিওয়ার্ড হিসেবে এই সেকশনে Facebook লিখে তারপরে সেভ করে দিতে পারেন। 

এছাড়াও আপনি যখন আপনার চ্যানেলে একটি কীওয়ার্ডস সিলেক্ট করে নিবেন তখন সার্চ ইঞ্জিন এটি খুব সহজেই ইনডেক্স করে নিতে পারবে, এবং আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

 

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং | জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |

 

 

আর এভাবেই আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য একটি কি ওয়ার্ড সিলেক্ট করে নিতে পারবেন। 

একটি ওয়েবসাইট যুক্ত করাঃ

আপনার যদি নিজস্ব কোন ওয়েব সাইট থাকে তাহলে আপনি এটি ইউটিউবে খুব সহজেই যুক্ত করে নিতে পারেন, আর  যুক্ত করার মাধ্যমে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেতে পারে।

এছাড়াও একটি ওয়েবসাইটে সফলতা অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিনে খুব ভালো রেঙ্ক করানোর জন্য গুগলের যেই 200 টিরও অধিক ফ্যাক্টর রয়েছে সেই ফ্যাক্টর গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ব্যাকলিংক তৈরি করা।  

আর আপনি যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেল আপনার ওয়েবসাইট যুক্ত করে নেন তাহলে আপনি এখান থেকে খুব সহজেই একটি ডুফলো ব্যাকলিংক পেয়ে যাবেন। 

যে ব্যাকলিংক আসলে অনেকটা পাওয়ারফুল হবে এবং এটি আপনার সার্চ রেংকিং বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।

ওয়েবসাইট যুক্ত করার পর আপনাকে অবশ্যই সাইট ভেরিফাই করে নিতে হবে তারপরে আপনার ওয়েবসাইট এখানে প্রদর্শন করবে।

আপনার অন্যান্য ইউটিউব চ্যানেল যুক্ত করাঃ 

আপনি যদি এটা চান যে আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেলে আপনি যে সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল মালিক সেই সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল গুলো কে যুক্ত করার তাহলে আপনি তা খুব সহজেই করতে পারবেন। 

এতে করে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা খুব সহজেই বৃদ্ধি পাবে, এবং আপনার অন্যান্য চ্যানেল প্রমোট খুব সহজেই আপনি করতে পারবেন। 

এজন্য শুধুমাত্র আপনাকে আপনার ইউটিউব চ্যানেল সেটিং অপশনে যেতে হবে এবং তারপরে ক্লিক করতে হবে Discussion নামের অপশন এরমধ্যে। 

তাহলে আপনি এর ডান পাশের বিভিন্ন ধরনের চ্যানেল যুক্ত করার জন্য একটি অপশন পেয়ে যাবেন এই অপশনটির উপরে ক্লিক করুন,  Featured Channel অপশনের ওপর ক্লিক করুন।

 

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং | জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |

 

 

এরপর আপনাকে আপনার যেকোনো ধরনের ইউটিউব চ্যানেলের বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট দেয়ার মাধ্যমে এখানে অ্যাড করে নিতে পারবেন। 

আপনাকে প্রথমে ইউটিউব চ্যানেলের নাম অথবা ইউআরএল দিয়ে যাচাই করে তারপর এখানে যুক্ত করে নিতে হবে। 

এই অপশনটি তে আপনার যতগুলো ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল যুক্ত করে নিতে পারবেন এবং ওই চ্যানেলগুলো সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বৃদ্ধি করে নিতে পারবেন।

 

ইউটিউব চ্যানেল সেটিং | জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং সম্পর্কে |

 

 

আর এভাবে আপনি খুব সহজেই আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেলে বিভিন্ন ধরনের ইউটিউব চ্যানেল যুক্ত করে নিতে পারবেন এবং চ্যানেলগুলো প্রমোটের কাজ সহজ ভাবে করতে পারবেন। 

আর মূলত উপরে উল্লেখিত সেটিং গুলো  একটি ইউটিউব চ্যানেল সেটিং গুলোর মধ্যে অন্যতম কিছু সেটিং, আশা করি এগুলো আপনার কাজে আসবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

20 − nine =

Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap