ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইন | যা অবশ্যই মানতে হবে |

যেকোনো প্লাটফ্রম আপনি যখন ব্যবহার করবেন তখন আপনাকে অবশ্যই সেই প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি গাইডলাইন সম্পর্কে যথাযথ ধারণা রাখতে হবে এবং তারপর এখানে বিচরণ করতে হবে অন্যতায় প্ল্যাটফর্ম আপনার জন্য মোটেও ঠিক নয় 

ঠিক একই রকম ভাবে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও প্ল্যাটফর্ম হল ইউটিউব, ইউটিউব এর কিছু কমিউনিটি গাইডলাইন করেছে যেগুলো আপনাকে অবশ্যই মান্য করতে হয়।  

যদি আপনি ইউটিউব যথাযথভাবে ব্যবহার করতে চান তাহলে এগুলা মানতে হবে, কি সেই ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইন গুলো? জানতে হলে অবশ্যই কন্টিনিউ করতে থাকুন। 

ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইন এর মধ্যে যে সমস্ত বিষয়বস্তু উল্লেখ করা হয়েছে সেই সমস্ত বিষয় গুলো মানা আপনার জন্য বাঞ্ছনীয়। 

অন্যথায় আপনি যদি এখানে কোন ধরনের ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে আয় করার ইচ্ছা পোষণ করেন তাহলে আপনি এতে ব্যর্থ হবেন।  

আপনি এখানে বিচরণ করার মূল উদ্দেশ্যই হবে তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড কে সম্মান করা অর্থাৎ এগুলো বাইরে আপনার কাজগুলো সম্পাদন না করা। 

ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইনঃ

 

ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইন এর মধ্যে যে বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেই বিষয়গুলো নিয়ে এখানে আলোচনা করা হবে।

তবে বিষয়টা মোটেও সেরকম নয় যে এখানে উল্লেখিত বিষয়বস্তু শুধু মানলেই হবে, আর তাদের দেয়ার পরবর্তী নির্দেশনা অর্থাৎ যে সমস্ত বিষয় গুলো আমি এখানে বর্ণনা করি নি সেগুলো মানবেন না, আপনাকে অবশ্যই তাদের দেয়া প্রত্যেকটি পলিসি মান্য করতে হবে।

এগুলোর প্রতি সম্মান দেখাতে হবে তাহলে আপনি এখানে স্বাভাবিকভাবে বিচরণ করার জন্য যথেষ্ট।

নগ্নতা বা যৌন সামগ্রীঃ 

আপনি যখন একটি নতুন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন এবং এতে যদি আপনি যেকোনো ধরনের ভিডিও পাবলিশ করেন।

 

এক্ষেত্রে ভিডিও পাবলিশ করার আগে আপনাকে অবশ্যই এই ভিডিওর মধ্যে কোন ধরনের সেক্সুয়াল বিষয় গুলো যদি একটিভ থাকে সেগুলো কে রিমুভ করে নিতে হবে। 

কারণ ইউটিউব যৌন সামগ্রী কিংবা নগ্নতা প্রদর্শনের সাইট নয়, আর আপনি যদি এখানে আপনার নিজের সম্পর্কে কিংবা যেকোনো ধরনের ভিডিওর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন তাহলে এখান থেকে আপনি ব্যান হয় যেতে পারেন।

এছাড়াও আপনাকে অবশ্যই এখানে আইনের যাবতীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেষ্ট থাকতে হবে এবং শিশু নির্যাতনের বিষয়গুলো সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে হবে। 

ক্ষতিকারক বা বিপজ্জনক সামগ্রীঃ 

আপনি এখানে এরকম কোন কনটেন্ট শেয়ার করতে পারবেন না, যে সমস্ত কন্টেন্ট গুলোতে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের বিপদজনক দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে আর যা দেখলে যে কোন ইউজার বিভ্রান্ত হতে পারে।

এই সমস্ত ক্ষতিকারক বা বিপদজনক সামগ্রীর মধ্যে অন্যতম হলো আপনি যদি এখানে কোন ভিডিও পাবলিশ করেন এই ভিডিওতে যদি কোন ধরনের ক্ষত স্থানের দৃশ্য স্পষ্ট দেখা যায়।  

এবং একমাত্র স্থান এর মাত্রা যদি বেশি হয় এখান থেকে যদি রক্ত পড়তে থাকে তাহলে এটা ঐ সমস্ত ক্ষতিকারক বা বিপদজনক সামগ্রীর মধ্যে পড়বে।

এছাড়া আপনি ভিডিও আপলোডের সময় যেকোনো ধরনের বিপজ্জনক বিষয়বস্তু আপনার ভিডিওর মধ্যে ফুটিয়ে তোলে এটি সাধারণত ইউটিউবে পলিসি স্ট্যান্ডার্ড এর পরিপন্থী হয়ে যাবে, আর তাহলে আপনার চ্যানেল থেকে রিমুভ হয়ে যাবে। 

স্প্যাম, বিভ্রান্তকারী মেটাডেটা এবং স্ক্যামঃ 

যে কোন ব্যক্তি সাধারণত spam জিনিসগুলোকে সবচেয়ে বেশি ঘৃনার চোখে দেখে।

 আর ইউটিউবে spam বলতে সাধারণত, আপনি যদি বেশি ভিউ বাড়ানোর জন্য আপনার টাইটেলটা কিংবা মেটা ডেসক্রিপশন অথবা আপনার ইউটিউব ভিডিও এর থাম্বনাইল মধ্যে এমন কিছু বিষয় আকৃষ্ট করে নেন যার সাথে সাধারণত আপনার ভিডিও কোনোভাবেই জড়িত নয়।

আর আপনি যদি এই কাজগুলো সম্পাদন করেন শুধুমাত্র আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিউ বাড়ানোর জন্য তাহলে আপনি ইউটিউব এর কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড এর বিরুদ্ধে অবস্থান করলেন।

গোপনীয়তাঃ 

যদি কেউ আপনার অনুমতি ছাড়াই আপনার সমস্ত পার্সোনাল ডকুমেন্টগুলো ইউটিউবে পাবলিশ করে নেয়, এবং আপনি যদি এই সম্পর্কে তার সাথে একমত না হন। 

আপনি যদি এটা চান যে এটা এখানে কেউ না দেখে তাহলে আপনি ইউটিউব এর কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ প্রদান করতে পারেন।

কারণ আপনি যদি এই বিষয়ে ইউটিউব এর কাছে অভিযোগ প্রদান করেন তাহলে ইউটিউব খুব শীঘ্রই সমস্ত প্রমাণের ভিত্তিতে এখান থেকে এই হ্যারেজমেন্ট ভিডিওটি সরিয়ে নিবে। 

এছাড়াও মাত্রাতিরিক্ত এটি ব্যবহারের ফলে যে চ্যানেলে এটি পাবলিশ হবে সেই চ্যানেলটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেয়া হতে পারে। 

কপিরাইট বিষয়বস্তুঃ 

আপনি যদি ইউটিউবে অন্য কারো ভিডিও পাবলিশ করেন অর্থাৎ অন্য কারো ডকুমেন্টগুলো চুরি করে এনে আপনার ভিডিওর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেখে এটি পাবলিশ করে নেন তাহলে এটি কপিরাইট এর আওতাধীন হবে। 

আর আপনি যদি আপনার ভিডিওর মধ্যে কপিরাইট এর আওতাধীন কিছু বিষয়বস্তু নিয়ে আসেন তাহলে আপনার ভিডিওটি ইউটিউব এর জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

ইউটিউব সাধারণত এই কপিরাইট বিষয়বস্তুকে সবচেয়ে বেশি ঘৃনার চোখে দেখে , এক্ষেত্রে শুধু ইউটিউব নয় যেকোনো ধরনের প্লাটফর্মে কপিরাইট বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দেয় না, আপনিও তো কপিরাইট বিষয়বস্তু স্বচক্ষে ঘৃণা করেন। 

আর উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো ইউটিউব কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড এর আওতাধীন রয়েছে অর্থাৎ আপনি ইউটিউব ব্যবহার করার আগে এই বিষয়গুলো প্রতি প্রাধান্য দিতে হবে। 

এছাড়াও আরো কিছু ইউটিউব এর কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা পেতে হলে নিচের দেয়া লিঙ্কে ক্লিক করার মাধ্যমে সরাসরি ইউটিউবে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড পলিসির হোমপেইজে চলে যান।

ইউটিিউব কমিউনিটি গাইডলাইন

আশাকরি উপরে উল্লেখিত লিঙ্কে ভিজিট  করার মাধ্যমে আপনি ইউটিউবে কমিউনিটি গাইডলাইন সম্পর্কে পুরোপুরি জেনে নিতে পারবেন এবং সুরক্ষায় সাথে ইউটিউব ব্যবহার করতে পারবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nineteen − four =

Scroll to Top
Share via
Copy link
Powered by Social Snap