ভালোবাসার কবিতা |সমগ্র প্রেমের কবিতা এবং প্রেমের ছন্দ |

ভালোবাসার কবিতা | নিয়ে নিন সমগ্র প্রেমের কবিতা এবং প্রেমের ছন্দ |



আপনার কি ভালোবাসার মানুষ আছে? এবং তার কাছে গিয়ে প্রতিনিয়ত নিজেকে রোমান্টিক প্রমাণ করতে চান? তাহলে নানান ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।


এই সমস্ত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি হলো আপনি যদি ওই মানুষটির কাছে ভালোবাসার কবিতা অথবা
প্রেমের কবিতা প্রেরণ করতে পারেন।


এগুলো আপনাকে আপনার প্রিয় মানুষটির কাছে অন্যরকম ভাবনার বিষয় করে গড়ে তুলবে। কারণ আপনি যখন অন্যদের চেয়ে আলাদা হবেন তখন সেও আপনাকে অন্য রকম ভালোবাসবে।


আর তাই আপনি যদি আপনার প্রিয় মানুষের কাছে ভালোবাসার কবিতা অথবা প্রেমের কবিতা প্রেরণ করতে চান তাহলে হয়তো এগুলো খুঁজে বেড়ান এদিক সেদিক।


কারণ আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যাদের মধ্যে কবির ভাবটি ফুটে ওঠে নি যার কারণে তারা কোন ধরনের কবিতা নিজের মনের মত করে সাজিয়ে লিখতে পারেনা।


কথাই বলে কি আপনার প্রিয় মানুষের কাছে এগুলো প্রেরণ করা হবে না? কেন হবে না অবশ্যই হবে। কারণ আজকের এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করব সমগ্র ভালোবাসার কবিতা এবং প্রেমের কবিতা সম্পর্কে।

ღ_ღ_ কনফিউজড প্রেম 
তোমার সাথে হয়না দেখা 
হয়না কথা রোজ, 
ভাবলে তোমায় কঠিন হৃদয় 
যাচ্ছে হয়ে ন্যূব্জ। 
মোচড়ে উঠে হৃদয় আমার 
দেখলে তোমায় কভূ, 
মনের ভাষা হয়না প্রকাশ 
গোপনে রয় তবু।  

 

ღ_ღ_ ম তোমাকে ছাড়া আমি এতোটাই নির্জন শূন্য – যেন প্রাণের অস্তিত্বহীন চাঁদ, তোমার আমার মাঝে দাঁড়ানো চীনের মহাপ্রাচীর ছাড়া আর কিছুই দেখে না ।।   

 

ღ_ღ_ বেপরোয়া প্রেম 
একটু দূরে সরলেই তুমি 
মেজাজটা যায় চড়ে, 
ইচ্ছে করে এই পৃথিবী 
ভষ্ম করি পুড়ে। 
আমার কাছে তুচ্ছ সবই 
কেবল তুমি ছাড়া, 
তোমার জন্য প্রধানমন্ত্রীকেও 
করতে পারি তাড়া।   

 

ღ_ღ_ অফিস প্রেম 
রিসিপশানের সেই মেয়েটির 
বাঁকা চোখের খাদে, 
আটকে গেলো হৃদয় আমার 
পড়ে প্রেমের ফাঁদে। 
তাকে দেখলেই বিষম খাই 
মাথা নত লাজে, 
বসের জ্বালায় হয়না প্রেম 
মন বসেনা কাজে।   

 

ღ_ღ_ পরকিয়া প্রেম 
তোমার ঘরে স্বামী আছে 
আমার ঘরে বউ, 
তবু মোদের বুকের মাঝে 
ওঠে প্রেমের ঢেউ। 
বউকে লাগে ফুলন দেবী 
তোমার স্বামী বিরাপ্পন, 
তাইতো তোমার হাতটি ধরে 
চাইছি যেতে বৃন্দাবন।   

 

ღ_ღ_ মরুভূমির কাপন দেখেছি, 
দেখেছি রুক্ষতার আনন্দ। 
তোমাকে আমি হঠাৎ পেয়েছি, 
হারিয়েছি সব ছন্দ। 
তপ্ত বালুতে ফুটতে দেখেছি 
রক্ত রঙ্গিন ফুল। 
হঠাৎ হাওয়ায় উড়তে দেখেছি, 
তোমার খোলা চুল! 
ভাঙ্গল আমার ভুল! 
বৈরাগ্যকে ভালবেসেছি 
ভালোবেসেছি তোমাকে, 
তোমাকে আমার সবই দিয়েছি, 
ভালবাসার এক ফাকে ।।   

 

ღ_ღ_ ভালবাসতে পারিনাই ভালবাসার মত, 
বুঝতে যদি আমায় প্রেমী, বলতে ভালবাসি কত 
সবকিছু দিয়েও যেন হয়না কেন শেষ, 
চলে গিয়েও রেখে যাও ভালবাসার রেশ। 
তোমায় যদি জীবনসঈী আমি না পাই, 
আধার হোক জীবন আমার, সুখ নাহি চাই।

 

ღ_ღ_ তুমি এসে কষ্টের আকাশটাকে 
ভালবাসার আঁচলে জড়ালে 
রোমাঞ্চ শিশিরে নেভালে 
মনের অব্যক্ত দহন জ্বালা। 
বুকের গহীন অন্ধকারে উড়িয়ে দিলে 
ভালবাসার প্রজাপতি 
কষ্টগুলো পাপড়ি মেলে সুবাস ছড়ায় 
ভাল লাগার অনুরণে। 
তুমি এসে খুলে দিলে 
যন্ত্রণার বন্ধ দুয়ার 
ভরিয়ে দিলে মনের ভেতর 
ভালবাসার মর্ম ফোয়ার।  

প্রেমের কবিতা

 

ღ_ღ_ ভালবাসার মত সবকিছু তবুও ভালবাসা নয় 
ভালবাসার মত এতকিছু তাই এত ভয় 
ভালবাসার মত যতকিছু তার বিপরীতে 
ভালবাসার মত ততটুকু ঘৃণা রয়………  

 

ღ_ღ_ ভালবাসার মিষ্টি রোদে 
ভরিয়ে দাও মন। 
গাছের ছায়ায় 
সবুজ মায়ায় 
হৃদয় দোলে 
শীতের আমেজ 
ভাল লাগায় এখন। 
মরা নদীর বান ডেকে যায় 
ঢেউ খেলে যায় ভালবাসার বুকে 
তুমি আসো যখন। 
ভালবাসার বর্ষা নামে 
আমার চোখের কোনে 
হঠাৎ যখন বলে উঠো 
চলে যাবো এখন।   

 

ღ_ღ_ মোর প্রিয়া হবে এস রানী 
দেব খোপায় তাঁরার ফুল 
কর্ণে দোলাবো তৃতীয়া তিথি 
চৈতী চাঁদের দুল।। 
কন্ঠে তোমার পরাব বালিকা 
হংস সারির দুলানো মালিকা 
বিজলি জরিণ ফিতায় বাধিব 
মেঘরঙ এলো চুল।। 
জোছনার সাথে চন্দন দিয়ে 
মাখাব তোমার গায়ে 
রামধনু হতে লাল রং ছানি 
আলতা পরাব পায়। 
আমার গানের সাতসুর দিয়া 
তোমার বাসর রচিব ও প্রিয়া 
তোমারে ঘিরিয়া গাহিবে 
আমার কবিতার বুলবুল।।  

 

 

 

ღ_ღ_ প্রিয় এমন তার যেন যায় না বৃথায় 
পরি চাঁপা রঙের শাড়ী খয়েরী টিপ 
জাগে বাতায়নে জ্বালি আঁখি প্রদীপ 
মালা চন্দন দিয়ে মোর কালা সাজাই।। 
তুমি আসিবে বলে সুদূর তিথি 
জাগে চাঁদের তৃষ্ণা লয়ে কৃষ্ণা তিথি 
কভু ঘরে আসি কভু বাহিরে চাই।। 
আজি আকাশে বাতাসে কানাকানি 
জাগে বনে বনে নব ফুলের বাণী 
আজি আমার কথা যেন বলিতে পাই 
যেন বলিতে পাই, যেন যায় না বৃথায়।।

 

ღ_ღ_ পাণ্ডুলিপি কাছে রেখে ধূসর দীপের কাছে আমি 
নিস্তব্ধ ছিলাম ব’সে; 
শিশির পড়িতেছিল ধীরে-ধীরে খ’সে; 
নিমের শাখার থেকে একাকীতম কে পাখি নামি 
উড়ে গেলো কুয়াশায়,- কুয়াশার থেকে 
দূর-কুয়াশায় আরো। 
তাহারি পাখার হাওয়া প্রদীপ নিভায়ে গেলো বুঝি? 
অন্ধকার হাতড়ায়ে ধীরে-ধীরে দেশলাই খুঁজি; 
যখন জ্বলিবে আলো কার মুখ দেখা যাবে বলতে কি পারো? 
কার মুখ?- আমলকী শাখার পিছনে 
শিঙের মতন বাঁকা নীল চাঁদ একদিন 
দেখেছিলো, আহা, 
সে-মুখ ধূসরতম আজ এই পৃথিবীর মনে। 
তবু এই পৃথিবীর সব আলো একদিন নিভে গেলে পরে, 
পৃথিবীর সব গল্প একদিন ফুরাবে যখন, 
মানুষ র’বে না আর, র’বে শুধু মানুষের স্বপ্ন তখনঃ 
সেই মুখ আর আমি র’বো সেই স্বপ্নের ভিতরে।    
ভালোবাসার কবিতা | নিয়ে নিন সমগ্র প্রেমের কবিতা |

 

খুলে দিয়ে মনের দখিণা দ্বার
 শুল্কসন্ধ্যা চৈত্রমাসে,
 মধুমাসের মধু মিলনে বাসন্তীরং এ
 কবির মনে প্রেম আসে।
 একলা দাঁড়ায়ে বকুল তলায়
 বাতাসে উড়িয়ে লাল শাড়ি,
 প্রভাতী মেঘে ফের বায়না ধরে
 মেয়ে তোমার কোথায় বাড়ি।
 জানতে চাইলে সবুজ বন
 বলবে তখন কবির মন
 ভালবাসি রাশি রাশি
 মেয়ের রেশম কালো চুল,
 তখন সবুজের বন দিবে উপমা
 ভালবাসায় নেই কো ভুল।
 সোনায় সোহাগা মেয়ের রূপ
 কাজল বরণ আঁখি,
 সুরের দানে মান অভিমানে
 তুমি যে আমার পাখি।
 হাজার বছরের স্বর্ণালী প্রেম
 কাচের চুড়ি যেচে,
 প্রেমিক পুরুষ তা আনিতো কিনে
 প্রেমিকা নিতো নেচে।
 তেমনি হওয়া চাই মেয়ের প্রেম
 জড়িয়ে কবির কোল,
 তখন আহ্লাদে প্রাণ ধরিবে যে গান
 ভালবাসার নেই কো ভুল।

 

বলতে পারো?
 কোন মেঘেতে ‘বৃষ্টি’ হাসে
 কোন মেঘেতে সূর্য,
 কোন মেঘেতে ‘ঝিরি হাওয়া’ 
 কোন মেঘেতে বজ্র।

 

শুধু তুমি আছো তাই, আমি কথা খুঁজে পাই,
দূর হতে আমি তাই, তোমায় দেখে যাই
তুমি একটু হাসো তাই, আমি চাঁদের মিষ্টি আলো পাই

 

হাজার তারা চাইনা আমি, একটা চাঁদ চাই,
হাজার ফুল চাইনা আমি একটা গোলাপ চাই.
হাজার জনম চাইনা আমি একটা জনম চাই,
সেই জনমে যেন শুধু তোমায় আমি পাই

 

আমি হলাম আকাশ, কষ্ট আমার মেঘ,
জোস্না আমার আবেগ, বৃষ্টি আমার কান্না,
রোদ আমার হাসি, কি করলে বুঝবে-
বন্ধু তোমায় আমি কত ভালোবাসি !

 

তুমি বৃস্টি ভেজা পায়ে সামনে এলে মনে হয়-
আকাশের বুকে যেন জল ছবি এঁকে যায় .
তুমি হাসলে বুঝি মনে হয়,
স্বপ্ন আকাশে পাখি ডানা মেলে দেয় 

 

“ভালোবাসা” শব্দটা হয় না কখনো পুরানো.. হয় না কখনো মলিন.. হয় না ধূসর কিংবা বর্নহীন.. যা শুধু রংধনুর রঙে রঙিন.. হোক না সেটা এপার কিংবা ওপারের.. তারপরেও ভালোবাসা তো শুধুই ভালোবাসা! (ভালোবাসার কবিতা) 
ভালোবাসার কবিতা | নিয়ে নিন সমগ্র প্রেমের কবিতা |

 

মন নেই ভালো, জানিনা কি হলো। পাসে নেই তুমি, কি করি আমি। পাখী যদি হতাম আমি এই জীবনে, তোমায় নিয়ে উড়ে যেতাম অচিন ভূবনে। তুমি কি যাবে আমার সাথে?

 

একটু ভালোবাসা দিবি? যে ভালোবাসায় থাকবে না কোন দুঃখ, থাকবে না, না পাওয়ার যন্ত্রনা, থাকবে না মায়া কাঁন্না, থাকবে শুধু সীমাহীন অনুভূতি, যেই অনুভূতি কে সাথী করে কাটিয়ে দিবো সারাটা জীবন।

আরো ভালোবাসার কবিতা

 

ভালবাসার এস এম এস হয়ে থাকবো আমি তোমার হৃদয় জুড়ে, প্রেমের এস এম এস রিংটোন হয়ে বাজবো আমি মিষ্টি মধুর সুরে, কখনো ভেবোনা আমি তোমার থেকে দুরে, বন্ধু হয়ে আছি আমি তোমার নয়ন জুড়ে।

 

অল্প অল্প মেঘ থেকে, হালকা হালকা বৃষ্টি হয়। ছোট্ট ছোট্ট গল্প থেকে, ভালোবাসা সৃষ্টি হয়। মাঝে মাঝে স্বরন করলে, সম্পর্কটা মিষ্টি হয়।

 

প্রেমের স্বার্থকতা মিলনে। বিরহ-বিচ্ছেদহীনা মিলন, ততটা মধুময় নয়। বিরহ-বিচ্ছেদের পর মিলন, যতটা মধুময় হয়।

 

মনে পড়ে তোমাকে যখন থাকি নিরবে” “ভাবি শুধু তোমাকে সবসময় অনুভবে” “স্বপ্নে দেখি তোমাকে চোখের প্রতি পলকে” “আপন ভাবি তোমাকে আমার প্রতি নিশ্বাসে ও বিশ্বাসে।

 

তুমি সেই কবিতা, যা প্রতিদিন ভাবি…. লিখতে পারিনা, তুমি সেই ছবি, যা কল্পনা করি…. আঁকতে পারি না, তুমি সেই ভালবাসা ! যা প্রতিদিন চাই…. কিন্তূ তা কখনো-ই পাই না।

 

যদি বৃষ্টি হতাম…… তোমার দৃষ্টি ছুঁয়ে দিতাম। চোখে জমা বিষাদ টুকু এক নিমিষে ধুয়ে দিতাম। মেঘলা বরণ অঙ্গ জুড়ে তুমি আমায় জড়িয়ে নিতে,কষ্ট আর পারতো না তোমায় অকারণে কষ্ট দিতে..!

 

চোখে আছে কাজল কানে আছে দুল,ঠোট যেন রক্তে রাঙা ফুল,চোখ একটু ছোট মুখে মিষ্টি হাসি,এমন একজন মেয়েকে সত্যি আমি ভালোবাসি।

 

ভালোবাসা হল প্রজাপতির মত। যদি শক্ত করে ধর মরে যাবে! যদি হালকা করে ধর উড়ে যাবে আর যদি যত্ন করে ধর কাছে রবে…

 

মন কেন এতো অবুঝ? মন কেন চায় তোমার এত কাছে আসতে? কেন চায় তোমায় শুধু ভালবাসতে…

 

তোমারি চোখেরই আঙ্গিনায় ,এখনো কি তেমনি করে ছড়ায় আলো? এখনো কি তারার পানে চেয়ে থাকো আন মনে? তুমি কি আমায় আগের মত বাস ভাল??

 

সারাক্ষণ ভাল থেকো, ভালবাসা মনে রেখ । দিনের বেলা হাসি মুখে, রাতের বেলা অনেক সুখে॥ নানা রঙের স্বপ্ন দেখ, স্বপ্নের মাঝে আমায় রেখ॥

 

তুমি চাঁদ নও তবে চাঁদের আলো। তুমি ফুল নও তবে ফুলের সৌরভ। তুমি নদী নও তবে নদীর ঢেউ। তুমি অচেনা নও তুমি আমার চেনা কেউ॥

 

তুমি সেই কবিতা ! যা প্রতি দিন ভাবি…. লিখতে পারিনা॥ তুমি সেই ছবি! যা কল্পনা করি…. আঁকতে পারি না॥ তুমি সেই ভালবাসা! যা প্রতিদিন চাই…. কিন্তূ তা কখনো-ই পাই না॥

 

আমি চাইনা তুমি আমাকে বার বার বলো আমি তোমাকে ভালোবাসি. কিন্তু আমি চাচ্ছি তুমি আমার জন্য একটু অপেক্ষা করো, আমি বলছিনা তুমি আমাকে অনেক ভালবাসবে কিন্তু আমি বলছি তুমি আমাকে একটু সুযোগ দিও তোমাকে মন উজাড় করে ভালবাসতে।
 
যদি বৃষ্টি হতাম…… তোমার দৃষ্টি ছুঁয়ে দিতাম। চোখে জমা বিষাদ টুকু এক নিমিষে ধুয়ে দিতাম। মেঘলা বরণ অঙ্গ জুড়ে তুমি আমায় জড়িয়ে নিতে,কষ্ট আর পারতো না তোমায় অকারণে কষ্ট দিতে..!
ভালোবাসার কবিতা | নিয়ে নিন সমগ্র প্রেমের কবিতা এবং প্রেমের ছন্দ |

 

সকাল তো অনেক হয় বর্ষার মতো নয়, সময় তো অনেক হয় গোধূলীর মতো নয়, রাত তো অনেক হয় পূর্নীমার মতো নয়, বন্ধু তো অনেক হয় তোমার মতো নয়। দয়া করে এসএমএস করো।

 

ভালোবাসার মাঝে সুখ আছে। ভালো থাকার মাঝে কষ্ট আছে। দূরে রাখার মাঝে টান আছে। মনে রাখার মাঝে প্রান আছে। তাই মনে রেখ আমায় চিরদিন।

 

ভোরের মিষ্টি রোদের আলোয় মিছ কল দিও, ক্লান্ত দুপুরে মনে পরলে এসএমএস করিও, গভীর নিঝুম রাতে যদি ভয় লাগে তবে ফোন কর ভূতের গল্প শুনাব, কেমন!!!!!!

 

জীবনের রং বড় বিচিত্র, কখনো লাল কখনো নীল। কখনো মুক্ত পাখির মতো। কখনো আবার চুপসে যাওয়া ফুলের মতো। হারিয়ে যায় কত চেনা মুখ। থেকে যায় শুধু অনাবিল সূখ।. (ভালোবাসার কবিতা)

 

আকাশ বলে তুমি নীল। বাতাস বলে তুমি বিল। নদী বলে তুমি সিমাহীন। চাঁদ বলে তুমি সুন্দর। ঘাস বলে তুমি সবুজ। ফুল বলে তুমি অবুজ। কিন্তু আমি বলি, “তুমি কেমন আছ?”

 

বন্ধু বলে ডাক যারে,
সে কি তোমায় ভুলতে পারে ?
যেমন ছিলাম তোমার পাশে,
আজ আছি ভালোবেসে.
থাকব আমি তেমনি করে,
বন্ধু হয়ে চিরতরে

 

বৃষ্টি ভেজা আমার আকাশ – মনটা তাই উদাস উদাস, মেঘের সাথে মিষ্টি কথন – দুই নয়নে অঝর শ্রাবন, আমি আছি যেমন তেমন – বল তুমি আছ কেমন?

 

জীবনের প্রদীপকে ভালবাসার তেল দিয়ে জালিয়ে রাখো.
কারণ সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়ে পশ্চিমে অস্ত যায়.
কিন্তু ভালবাসার উদয় হৃদয়ে হয়….মৃতুতেই সে অস্ত যায়

 

পৃথিবীটা তোমারি থাক,
পারলে নীল্ রং দিও,
আকাশটা তোমারি থাক,
কিছু তারা দিও,
মেঘ টাও তোমারি থাক,
একটু ভিজিটে দিও,
হৃদয়টা তোমারি থাক,
পারলে একটু জায়গা দিও

তাহলে আজকে এই পর্যন্ত, উপরে দেয়া ভালোবাসার কবিতা এবং প্রেমের কবিতা গুলো কালেক্ট করে নিও পাঠিয়ে দিন আপনার পছন্দের মানুষকে।

Leave a Comment

16 − three =