টুইটার ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে জেনে নিন |

Advertisements

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রতি সকলের দৃষ্টি বিপুল হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে , আমাদের প্রত্যেকটি দিন যেন সোসিয়াল গণমাধ্যম ছাড়া চলেই না।

ইন্টারনেটের জগতে এরকম অনেক জনপ্রিয় সোসিয়াল গণমাধ্যম আছে, যার মধ্যে টুইটারের নাম হয়তো আপনি আগেও শুনেছেন অনেকবার।

বর্তমান বিশ্বের টুইটার ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় 26.2 কোটি। যার দ্বারা এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে এখনকার বিশ্বের এর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী।

ফেসবুকের মত টুইটার পায় সকালে ব্যবহার না করার কারণে এই টুইটার ব্যবহারের কিছু নিয়মকানুন সম্পর্কে আমাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই।

আর আজকের এই পোস্টটিতে আমি আলোচনা করব টুইটার ব্যবহারের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে, এই পোস্ট যদি আপনি একবার দেখে নিন তাহলে টুইটার ব্যবহার সম্পর্কে আপনার কোন প্রশ্ন থাকবে না।

টুইটারে স্ট্যাটাস-

Advertisements

অন্যান্য সোসিয়াল গণমাধ্যমে আপনি চাইলে যতটুকু শব্দের মধ্যে দরকার ততটুকু শব্দে আপনি আপনার স্ট্যাটাসটি ফুটিয়ে তুলতে পারেন।

তবে এক্ষেত্রে টুইটারে রয়েছে বাধ্যবাধকতা, আপনি চাইলে ইচ্ছা স্বাধীন শব্দ ব্যবহার করতে পারবেন না টুইটারে।

এক্ষেত্রে তাদের ডেভেলপার কর্তৃক আপনি মাত্র 140 শব্দের মধ্যে যেকোনো স্ট্যাটাস সমাপ্ত করে দিতে হবে। এর উপরে আপনি কোন স্ট্যাটাস লিখতে পারবেন না।

ডাইরেক্ট মেসেজ-

আপনি হয়তো ফেসবুক নামক সোসিয়াল গণমাধ্যমে আপনার যেকোন বন্ধুবান্ধবের কাছে মেসেজ প্রেরণ করলে ওই ব্যক্তিটি ছাড়া আপনার প্রেরণকৃত টেক্সট আর কেউ দেখতে পারে না।

আর এই একই রকম ভাবে আপনি টুইটার ব্যবহার করে আপনার যেকোন বন্ধুবান্ধবের কাছে 140 শব্দের মধ্যে যেকোনো সিক্রেট মেসেজ সেন্ড করতে পারবেন।

আর এই মেসেজটি ফুল প্রাইভেসি সহকারে ওই ব্যক্তির কাছে চলে যাবে, যার কাছে আপনি এটি প্রেরণ করেছেন, যার মানে হল আর কেউ এটি দেখতে পারবেনা।


ফলোয়ার এবং ফলোইং-


কেউ যদি আপনাকে পছন্দ করে তাহলে সে আপনাকে ফলো করার মত একটি সেটিং টুইটারে আছে, ঠিক একই রকম ভাবে আপনি অন্য কাউকে পছন্দ করলে আপনি ওই ব্যক্তিকে ফলো করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে যে আপনাকে ফলো করবে সে আপনার পাবলিশ করা সমস্ত স্ট্যাটাস গুলো সবার আগে দেখতে পারবে, একইরকমভাবে আপনি যাকে ফলো করবেন তার স্ট্যাটাস গুলো আপনি আপনার টাইমলাইনে পেয়ে যাবেন।

একটি মজার বিষয় হলো- যে কোন সেলিব্রেটি মানুষদেরকে আপনাকে কিন্তু সার্চ দিয়ে খুঁজতে হবে না, তারা রিকমেন্ডেড ফলোইং নামক একটি অপশন এ আপনার চোখের সামনে ভাসবে।


টুইটার প্রোফাইল-


আপনি চাইলে আপনার টুইটার এর প্রোফাইল কে আপনার মনের মত করে সাজিয়ে নিতে পারেন, এক্ষেত্রে ওই প্রোফাইলে আপনার অ্যাবাউট, ওয়ার্কিং ইত্যাদি ভালোভাবে লিখতে পারেন।

শুধু তা নয় আপনি চাইলে এখানে একটি প্রোফাইল পিকচার এবং কভার ফটো যুক্ত করতে পারবেন। তাছাড়াও আপনার প্রোফাইলের ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করতে পারবেন।


হ্যাশ ট্যাগ-


এটি টুইটারে ব্যবহারকৃত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সিম্বল, যে কেউ যদি বাংলাদেশ নামক একটি স্ট্যাটাস লিখে এবং তার আগে হ্যাশট্যাগ বসিয়ে দেয়, তাহলে কি হবে জানেন?

যখনই কেউ #Bangladesh লিখে সার্চ করবে তখনই আপনার স্ট্যাটাস সবার উপরে চলে আসবে। আর এতে করে যে কেউ এই অনুরূপ যেকোনো স্ট্যাটাস খুঁজে পাবে।


টুইটারের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিং-


Account – এই একাউন্ট সেটিং থেকে আপনি চাইলে আপনার ইমেইল এড্রেস, পাসওয়ার্ড, আপনার হোম এড্রেস সহ কোন ডিটেইলস পরিবর্তন করতে পারবেন।

এছাড়াও যখন আপনি মনে করবেন যে আপনার টুইটার অ্যাকাউন্টটি অকার্যকর হয়ে গেছে তখনই আপনি এটিকে ডিএকটিভ করে দিতে পারবেন।

Security and Privacy – এই অপশন থেকে যে কেউ চাইলে তার পাবলিশ করার টুইট বার্তায় প্রাইভেসি পরিবর্তন করতে পারবে।

এতে তালা লাগিয়ে দিতে পারবে যাতে করে আর কেউ আপনার টুইট বার্তাটি দেখতে সক্ষম হবে না। শুধু তা নয় এখান থেকে আপনি আপনার টুইট লোকেশন পরিবর্তন করতে পারবেন।

Blocked Account – যখনই টুইটারে কেউ আপনাকে বিরক্ত করবে তখনই আপনি চাইলে এই সেটিং থেকে তাকে ব্লক করে দিতে পারেন।

শুধু তাই নয় এই সেটিং নামক অপশনটিতে যখনই আপনি প্রবেশ করবেন, তখনি পূর্বে যাদের কে ব্লক করেছেন তাদের কেউ দেখতে পারবেন।

Apps- আপনি চাইলে টুইটারের অফিশিয়াল অ্যাপস ব্যবহার করার মাধ্যমে এর ব্যবহারের আরো বেশি সুবিধা পাবেন।

টুইটারের অফিশিয়াল অ্যাপস ব্যবহার করলে আপনি এটা সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন এবং উপভোগ করতে পারবেন ফাস্ট লোডিং স্পীড।

আর এগুলো কি হলো টুইটারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেটিং এবং টুইটার ব্যবহারের নিয়ম কানুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × two =

close
Scroll to Top
Share via
Copy link